ইরানের হা-ম-লা-য় ৩০ কোটি ডলারের মার্কিন রাডার ব্যবস্থা ধ্বং-স
ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় জর্ডানে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের ৩০ কোটি ডলার মূল্যের অত্যাধুনিক থাড (THAAD) রাডার ব্যবস্থা ধ্বংস হয়েছে। স্যাটেলাইট চিত্রে এই ধ্বংসযজ্ঞের প্রমাণ মিলেছে।
মধ্যপ্রাচ্যের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় বড় ধরনের আঘাত হেনেছে ইরান। উপসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার অন্যতম স্তম্ভ হিসেবে পরিচিত ৩০ কোটি ডলার মূল্যের একটি অত্যাধুনিক রাডার ব্যবস্থা হামলা চালিয়ে ধ্বংস করেছে তেহরান। শনিবার (৭ মার্চ) মার্কিন সংবাদমাধ্যম ব্লুমবার্গের এক প্রতিবেদনে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য জানানো হয়েছে।
স্যাটেলাইট চিত্রে ধ্বংসের প্রমাণ:
সিএনএনের বিশ্লেষিত স্যাটেলাইট চিত্রে দেখা গেছে, যুদ্ধের শুরুর দিকেই জর্ডানের মুওয়াফফাক সালতি বিমানঘাঁটিতে মোতায়েন করা যুক্তরাষ্ট্রের ‘থাড’ (THAAD) ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় ব্যবহৃত আরটিএক্স করপোরেশনের ‘এএন/টিপিওয়াই-২’ রাডার এবং এর ব্যাটারিসহ অন্যান্য সহায়ক সরঞ্জাম পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে। মার্কিন এক কর্মকর্তা পরে এই সরঞ্জাম ধ্বংসের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
আঞ্চলিক সক্ষমতায় আঘাত:
সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, এই রাডার ধ্বংস হওয়ার ফলে ভবিষ্যতে ইরানি হামলা প্রতিহত করার আঞ্চলিক সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে দুর্বল হয়ে পড়বে। সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজের তথ্য অনুযায়ী, একটি পূর্ণাঙ্গ থাড ব্যাটারির মূল্য প্রায় ১ বিলিয়ন ডলার, যার মধ্যে শুধুমাত্র রাডারটির পেছনেই ব্যয় হয় ৩০ কোটি ডলার।
যুক্তরাষ্ট্রের সীমাবদ্ধতা:
ব্লুমবার্গের তথ্যমতে, যুক্তরাষ্ট্রের কাছে সারা বিশ্বে মাত্র আটটি থাড ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা রয়েছে, যার গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ ছিল জর্ডানের এই রাডার। দক্ষিণ কোরিয়া এবং গুয়ামের মতো গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে এই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মোতায়েন থাকলেও মধ্যপ্রাচ্যে এর বড় একটি অংশ হারিয়ে এখন বেশ চাপে পড়েছে পেন্টাগন।


