সাংবাদিকের প্রশ্নে মেজাজ হারালেন ট্রাম্প: ইরানের শক্তি নিয়ে দিলেন চাঞ্চল্যকর তথ্য
ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা নিয়ে সাংবাদিকের প্রশ্নে ক্ষোভ ঝাড়লেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। দাবি করলেন ইরানের বেশিরভাগ উৎক্ষেপণ ব্যবস্থা ধ্বংসের, সংবাদমাধ্যমকে দিলেন 'রাষ্ট্রদ্রোহী' তকমা।
ইরানের সামরিক সক্ষমতা এবং যুক্তরাষ্ট্রের ইরান নীতি নিয়ে প্রশ্ন তোলায় এক সাংবাদিকের ওপর চরমভাবে চটে গেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এয়ার ফোর্স ওয়ানে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি দাবি করেন, ইরানের অধিকাংশ ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ ব্যবস্থা এরই মধ্যে ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে এ সংক্রান্ত ভিন্নধর্মী বা নেতিবাচক সংবাদ প্রতিবেদনগুলোকে 'ভুয়া খবর' (Fake News) বলে উড়িয়ে দেন তিনি।
ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা নিয়ে ট্রাম্পের দাবি:
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প জোর দিয়ে বলেন, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ ব্যবস্থার বেশিরভাগই এখন আর কার্যকর নেই। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, যদি যুক্তরাষ্ট্র আবারও ইরানে কোনো সামরিক অভিযান চালায়, তবে অবশিষ্ট উৎক্ষেপণ ব্যবস্থাগুলোও মুহূর্তের মধ্যে ধূলিসাৎ করে দেওয়া হবে। ট্রাম্পের দাবি অনুযায়ী, ইরানে যুক্তরাষ্ট্র পূর্ণাঙ্গ সামরিক বিজয় অর্জন করেছে এবং কেবল 'অসৎ' কিছু মানুষ ছাড়া বাকি বিশ্ব তা মেনে নিয়েছে।
সাংবাদিকের ওপর ক্ষোভ:
আলাপচারিতার একপর্যায়ে এক সাংবাদিক যুক্তরাষ্ট্রের ইরান নীতির লক্ষ্য নিয়ে সমালোচনামূলক প্রশ্ন করলে ট্রাম্প ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানান। তিনি ওই সাংবাদিককে 'ভুয়া লোক' আখ্যা দিয়ে বলেন, তার লেখা প্রতিবেদনগুলো রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল। ট্রাম্প সরাসরি আক্রমণ করে বলেন, "তোমার সম্পাদকরা তোমাকে যা লিখতে বলে, তুমি তাই লেখো। তোমার লজ্জা হওয়া উচিত।"
আন্তর্জাতিক মহলের ভিন্নমত:
ইরান যুদ্ধ এবং সাম্প্রতিক যুদ্ধবিরতির পর যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সাফল্য নিয়ে ওয়াশিংটন ও আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলোতে বেশ ভিন্নমত দেখা দিয়েছে। কিছু আন্তর্জাতিক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ইরান এখনো তাদের উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ক্ষেপণাস্ত্র ও সামরিক সক্ষমতা ধরে রেখেছে। তবে ডোনাল্ড ট্রাম্প এসব তথ্যকে পুরোপুরি ভিত্তিহীন বলে দাবি করছেন।


