৬ দশক ধরে কোরআনের সেবায় অবদানের জন্য সম্মাননা পেলেন সৌদি বাদশা

দীর্ঘ ৬০ বছরেরও বেশি সময় ধরে পবিত্র কোরআন হিফজ ও শিক্ষা বিস্তারে অসামান্য পৃষ্ঠপোষকতার জন্য বিশেষ সম্মাননা পেলেন সৌদি বাদশা সালমান বিন আবদুল আজিজ। বাদশার পক্ষে সম্মাননা গ্রহণ করেন যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান।

May 14, 2026 - 09:56
 0  2
৬ দশক ধরে কোরআনের সেবায় অবদানের জন্য সম্মাননা পেলেন সৌদি বাদশা
×

সৌদি আরবে দীর্ঘ ৬০ বছরেরও বেশি সময় ধরে পবিত্র কোরআন হিফজ বা মুখস্থকরণে অসামান্য পৃষ্ঠপোষকতা ও বিশেষ অবদানের জন্য বিরল সম্মাননায় ভূষিত হয়েছেন দেশটির বাদশাহ সালমান বিন আবদুল আজিজ আল সৌদ। মঙ্গলবার জেদ্দায় এক জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানে বাদশাহর পক্ষ থেকে তাঁর পুত্র, সৌদি যুবরাজ ও প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন সালমান এই সম্মাননা গ্রহণ করেন।

দীর্ঘ ছয় দশকের সেবার স্বীকৃতি:

সৌদি আরবের বিভিন্ন কোরআন মুখস্থকরণ সংস্থার একটি প্রতিনিধি দল রাজপ্রাসাদে এসে এই সম্মাননা স্মারক পৌঁছে দেন। মূলত দেশজুড়ে কোরআনের শিক্ষা বিস্তার এবং কোরআন হিফজ মাদ্রাসাগুলোর প্রতি বাদশাহর নিরবচ্ছিন্ন সমর্থনের স্বীকৃতি হিসেবে এই আয়োজন করা হয়।

স্মারক ও বিশেষ উপহারসমূহ:

অনুষ্ঠানে যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান বাদশাহর পক্ষে বেশ কিছু মূল্যবান স্মারক গ্রহণ করেন, যার মধ্যে ছিল:

সম্মাননা ঢাল: একটি কারুকার্যখচিত লাক্সারি শিল্ড।

পাণ্ডুলিপি: একটি হাতে লেখা পবিত্র কোরআনের বিরল পাণ্ডুলিপি।

স্মৃতি ফলক: একটি বিশেষ ফলকে মাত্র ১০ বছর বয়সে বাদশাহ সালমানের পবিত্র কোরআন হিফজ সম্পন্ন করার স্মৃতি খোদাই করা ছিল।

হাফেজদের তালিকা: অন্য একটি ফলকে রিয়াদ কোরআন মেমোরাইজেশন সোসাইটি (মাকনুন)-এর মাধ্যমে হাফেজ হওয়া ২১ হাজার শিক্ষার্থীর নাম লিপিবদ্ধ রয়েছে, যারা সরাসরি বাদশাহর পৃষ্ঠপোষকতায় শিক্ষালাভ করেছেন।

কুরআনিক মূল্যবোধ প্রচার:

পবিত্র কোরআনের শিক্ষা ও ব্যাখ্যা প্রচার, কুরআনিক মূল্যবোধ ছড়িয়ে দেওয়া এবং বিশ্বের বিভিন্ন ভাষায় কোরআনের অনুবাদ বিতরণে বাদশাহ সালমানের দীর্ঘদিনের প্রচেষ্টাকে এই সম্মানের মাধ্যমে উদযাপন করা হয়েছে।

​অনুষ্ঠানে যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান সৌদি আরবের অলাভজনক কোরআন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রশংসা করে বলেন, ইসলামের সেবা এবং মুসলিম বিশ্বের কাছে সৌদির অগ্রগামী ভূমিকাকে শক্তিশালী করতে এই প্রতিষ্ঠানগুলো অনন্য অবদান রাখছে। সামাজিক উন্নয়নে এই খাতের সক্রিয় ভূমিকার জন্য তিনি সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ জানান।