ইসরায়েল ও ভারত কর্তৃক বাংলাদেশি নাগরিক হত্যাকাণ্ডের তীব্র প্রতিবাদ খেলাফত মজলিসের
লেবাননে ইসরায়েলি ড্রোন হামলায় এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া সীমান্তে বিএসএফ-এর গুলিতে বাংলাদেশি নাগরিক হত্যার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে খেলাফত মজলিস। অবিলম্বে এসব হত্যাকাণ্ড বন্ধের দাবি জানিয়েছেন দলটির শীর্ষ নেতারা।
লেবাননে ইসরায়েলি ড্রোন হামলায় এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) কর্তৃক বাংলাদেশি নাগরিক হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে খেলাফত মজলিস। গত ৮ মে সীমান্তে ২ জন এবং ১১ মে লেবাননে ২ জন বাংলাদেশি নিহতের ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন দলটির শীর্ষ নেতৃবৃন্দ।
মঙ্গলবার (১২ মে) প্রদত্ত এক যৌথ বিবৃতিতে খেলাফত মজলিসের আমীর মাওলানা আব্দুল বাছিত আজাদ ও মহাসচিব ড. আহমদ আবদুল কাদের এই প্রতিবাদ জানান।
ইসরায়েলি বর্বরতার নিন্দা:
বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, "মধ্যপ্রাচ্যের বিষফোঁড়া দখলদার রাষ্ট্র ইসরায়েল বিশ্বজুড়ে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করছে। সম্প্রতি লেবাননে ২ জন প্রবাসী শ্রমজীবী বাংলাদেশীকে ড্রোন হামলা চালিয়ে অন্যায়ভাবে হত্যা করা হয়েছে। প্রবাসের সাধারণ মানুষকেও এখন ইসরায়েল শত্রুজ্ঞান করছে।" তাঁরা প্রবাসী বাংলাদেশিদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকারকে আরও কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার দাবি জানান।
সীমান্ত হত্যা নিয়ে ভারতের সমালোচনা:
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সীমান্তে বিএসএফ কর্তৃক ২ জন নাগরিক হত্যার প্রসঙ্গে তাঁরা বলেন, "সীমান্ত হত্যা দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর ভারত আবারও তা শুরু করে বাংলাদেশকে ভয় দেখাতে চায়। পুশইন ও মাদক চোরাচালানের মাধ্যমে সীমান্তবর্তী অঞ্চলে ভারত অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করতে চাইছে।"
নেতৃবৃন্দের দাবি:
১. ভারতকে অবিলম্বে সীমান্ত হত্যা বন্ধ করতে হবে।
২. সকল হত্যাকাণ্ডের জন্য যথাযথ ক্ষতিপূরণ প্রদান করতে হবে।
৩. বাংলাদেশের সাথে আধিপত্যবাদী আচরণের পরিবর্তে প্রকৃত প্রতিবেশীসুলভ আচরণ ও সম্পর্ক স্থাপন করতে হবে।
খেলাফত মজলিস মনে করে, এ ধরনের অপ্রতিবেশীসুলভ আচরণ আঞ্চলিক নিরাপত্তার জন্য হুমকিস্বরূপ এবং সরকারের উচিত আন্তর্জাতিক পর্যায়ে এই বিষয়গুলো জোরালোভাবে উত্থাপন করা।


