সংরক্ষিত নারী আসন এনসিপিকে আসন ছাড়ছে জামায়াত, মনোনয়ন পাচ্ছেন মাহমুদা-মনিরা
সংরক্ষিত নারী আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টিকে (এনসিপি) একটি অতিরিক্ত আসন ছাড়ছে জামায়াত; দলটির সম্ভাব্য চূড়ান্ত তালিকায় রয়েছেন ডা. মাহমুদা আলম মিতু ও মনিরা শারমিন।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের রাজনৈতিক দরকষাকষিতে জামায়াতে ইসলামীর কাছ থেকে একটি অতিরিক্ত আসন পাচ্ছে মিত্র দল জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। এই সমীকরণে এনসিপির পক্ষ থেকে দুইজনকে মনোনয়ন দেওয়া হচ্ছে বলে দলটির একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে। সম্ভাব্য চূড়ান্ত তালিকায় স্থান পেয়েছেন এনসিপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্য সচিব ডা. মাহমুদা আলম মিতু ও কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব মনিরা শারমিন।
জোটভিত্তিক আসন বণ্টন ও এনসিপির অবস্থান
নির্বাচন কমিশনের বিধি অনুযায়ী, ৫০টি সংরক্ষিত আসনের মধ্যে বিএনপি ও তাদের মিত্ররা ৩৬টি এবং জামায়াতে ইসলামী ও তাদের জোট ১৩টি আসন পেয়েছে। জামায়াতের নেতৃত্বাধীন জোটে থেকে এনসিপি নির্বাচনে ৬টি আসনে জয়ী হওয়ায় আনুপাতিক হারে তারা ১টি সংরক্ষিত আসন পায়। তবে এনসিপির পক্ষ থেকে অতিরিক্ত একটি আসনের দাবি জানালে জামায়াত তাদের নিজেদের কোটা থেকে একটি আসন এনসিপিকে ছাড় দিতে সম্মত হয়েছে।
চূড়ান্ত মনোনয়ন তালিকায় যারা থাকছেন
এনসিপির অভ্যন্তরীণ সূত্রমতে, দুই সদস্যের সম্ভাব্য তালিকায় রয়েছেন:
১. ডা. মাহমুদা আলম মিতু: কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্য সচিব (জামায়াতের কোটা থেকে মনোনীত)।
২. মনিরা শারমিন: কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব (এনসিপির নিজস্ব কোটা)।
নির্বাচনের তফসিল ও প্রস্তুতি
নির্বাচন কমিশন ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী গুরুত্বপূর্ণ তারিখগুলো হলো:
মনোনয়নপত্র জমা: শেষ সময় ২১ এপ্রিল।
যাচাই-বাছাই: ২২ ও ২৩ এপ্রিল।
প্রার্থিতা প্রত্যাহার: ২৯ এপ্রিল।
ভোট গ্রহণ: ১২ মে।
এনসিপির আনুষ্ঠানিক বক্তব্য
এনসিপির কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মিডিয়া সেক্রেটারি ইয়াসির আরাফাত জানিয়েছেন, সংরক্ষিত নারী আসনের প্রার্থিতার বিষয়ে জোটের শীর্ষ পর্যায়ে আলোচনা শেষ পর্যায়ে। তিনি বলেন, “প্রার্থী হতে চেয়ে অনেকে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন। যাচাই-বাছাই ও জোটের সমঝোতা শেষে ২০ এপ্রিলের মধ্যে দল থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে চূড়ান্ত নাম ঘোষণা করা হবে।”


