হাজীদের সেবায় খাদেম হিসেবে কাজ করেছি: ধর্মমন্ত্রী
এ বছর হাজীদের সেবা ও কল্যাণ নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করেছে ধর্ম মন্ত্রণালয়। মক্কায় এক সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদ বলেন, তিনি হাজীদের একজন খাদেম হিসেবে দায়িত্ব পালনের চেষ্টা করেছেন।
এ বছর বাংলাদেশি হাজীদের সর্বোচ্চ সেবা ও কল্যাণ নিশ্চিত করতে ধর্ম মন্ত্রণালয় সম্পূর্ণ আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করেছে বলে জানিয়েছেন ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদ। তিনি বলেন, হজের পুরো সময়জুড়ে মন্ত্রী হিসেবে নয়, বরং হাজীদের একজন সাধারণ ‘খাদেম’ হিসেবে দায়িত্ব পালনের চেষ্টা করেছেন তিনি।
শুক্রবার রাতে পবিত্র হজের আনুষ্ঠানিকতা শেষে সৌদি আরবের মক্কায় আয়োজিত এক হজ-পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে ধর্মমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদ বলেন, "মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমাকে হাজীদের ‘খাদেম’ হিসেবে দায়িত্ব দিয়েছেন। সেই পবিত্র দায়িত্ব পালনে আমি আমার সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান হাজীদের সেবায় বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন। ওনারই বিশেষ উদ্যোগে এবার হাজীদের জন্য বিনামূল্যে লাগেজ র্যাপিং ও পানিসহ বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা দেওয়া হয়েছে। এছাড়া আরাফা ও মিনায় হাজীদের মাঝে জুস বিতরণ করা হয়েছে।"
এবারের হজ ব্যবস্থাপনাকে সফল আখ্যা দিয়ে মন্ত্রী বলেন, আল্লাহর অশেষ রহমতে এবারের হজ প্রক্রিয়া অত্যন্ত সুন্দরভাবে সম্পন্ন হয়েছে। এই সফলতার পেছনে ধর্ম মন্ত্রণালয়, হজ অফিস, চিকিৎসক দল, প্রশাসনিক কর্মকর্তা, হাব (HAAB) নেতৃবৃন্দ এবং সংশ্লিষ্ট সবার সম্মিলিত ও অক্লান্ত প্রচেষ্টা রয়েছে। তবে এই সফলতার পেছনে সবচেয়ে বড় অবদান মহান আল্লাহর।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, হজ চলাকালে হাজীদের বিভিন্ন সমস্যা সমাধান, আবাসন, চিকিৎসা ও সার্বিক সেবার বিষয়গুলো মাঠ পর্যায়ে নিয়মিত তদারকি করা হয়েছে। বাংলাদেশি হাজীরা যাতে কোনো ধরনের ভোগান্তি ছাড়াই নির্বিঘ্নে হজের সমস্ত আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করতে পারেন, সে জন্য সংশ্লিষ্ট সবাই আন্তরিকভাবে কাজ করেছেন।
ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা জানিয়ে ধর্মমন্ত্রী বলেন, "এবারের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে আগামী বছরগুলোর হজ ব্যবস্থাপনাকে আরও বেশি উন্নত, আধুনিক ও জনবান্ধব করতে এখন থেকেই প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।"
হজ ব্যবস্থাপনায় সৌদি আরবের চমৎকার আতিথেয়তার প্রশংসা করে তিনি বলেন, এবার অত্যন্ত সুশৃঙ্খল ও সুন্দর পরিবেশে বিশ্ব মুসলিমের এই মিলনমেলা সম্পন্ন হয়েছে। এর জন্য সৌদি সরকার ও সংশ্লিষ্ট দেশের কর্তৃপক্ষ আন্তরিক প্রশংসার দাবিদার।


