শেরপুরে শ্বশুর বাড়িতে সাবেক ছাত্রদল নেতার রহস্য'জনক মৃ'ত্যু
শেরপুর শহরের পৌর ট্রাক টার্মিনাল এলাকায় শ্বশুরবাড়িতে আলী রেজা (২৫) নামের এক সাবেক ছাত্রদল নেতার রহস্যজনক মৃ'ত্যু হয়েছে
শেরপুর শহরের পৌর ট্রাক টার্মিনাল এলাকায় শ্বশুরবাড়িতে আলী রেজা (২৫) নামের এক সাবেক ছাত্রদল নেতার রহস্যজনক মৃ'ত্যু হয়েছে।
গতকাল মঙ্গলবার ভোরে এই ঘটনা ঘটে। পরে বিকেল ৪টার দিকে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য শেরপুর জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।
নিহত আলী রেজা শহরের বাগরাকসা এলাকার কাঁচামাল ব্যবসায়ী মো. শহিদুল ইসলাম কালুর ছেলে। তিনি জেলা ছাত্রদলের সাবেক প্রশিক্ষণবিষয়ক সম্পাদক ছিলেন।
পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রায় তিন মাস আগে পরিবারের অমতে আলী রেজা সিকিউরিটি গার্ড মো. লুৎফর রহমানের মেয়ে লুৎফুন্নাহার লোপাকে বিয়ে করেন। বিয়ের পর স্ত্রীকে নিয়ে শহরের ট্রাক টার্মিনাল এলাকায় শ্বশুরের ভাড়া বাসায় থাকতেন তিনি।
পরিবারের দাবি, মঙ্গলবার ভোর ৪টার দিকে শ্বশুরবাড়ির লোকজন আলী রেজাকে হাসপাতালে নিয়ে যায় এবং তাঁর স্বজনদের জানায়, তিনি আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন। খবর পেয়ে পরিবারের সদস্যরা হাসপাতালে গিয়ে তাঁকে মৃ'ত অবস্থায় পান।
নিহত ব্যক্তির পরিবারের অভিযোগ, আলী রেজাকে শ্বাসরোধে হ'ত্যার পর ঘটনাটি আত্ম'হ'ত্যা হিসেবে চালানোর চেষ্টা করা হয়েছে।
আলী রেজার ভাই আলী হাসান অভিযোগ করে বলেন, ‘এই বিয়েতে আমরা রাজি ছিলাম না। ওই মেয়েটা আমার ভাইকে ফুসলিয়ে প্রেমের ফাঁদে ফেলে বিয়ে করে। পরে খোঁজ নিয়ে জেনেছি, ওই মেয়ের আরও দুই জায়গায় বিয়ে হয়েছিল। আগের ঘরের বাচ্চাও আছে। তারা আমার ভাইকে পরিকল্পিতভাবে হ'ত্যা করেছে। আমি এই হ'ত্যার বিচার চাই।’
অভিযোগের বিষয়ে জানতে মো. লুৎফর রহমান ও লুৎফুন্নাহারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁদের পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সোহেল রানা বলেন, প্রথমে নিহত ব্যক্তির পরিবারের সদস্যরা লাশের ময়নাতদন্ত করাতে চাননি। তাই তাঁদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিনা ময়নাতদন্তে লা'শ হস্তান্তর করা হয়েছিল। তাঁরা এখন ময়নাতদন্ত করাতে চাচ্ছেন। তাই আজ বিকেলে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। আপাতত এই ঘটনায় থানায় একটি অপমৃ'ত্যু মামলা রুজু হয়েছে। ময়নাতদন্ত রিপোর্ট পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা


