নিয়ামতি ইউপি চেয়ারম্যানের ওপর হা/মলা/র ঘটনায় ইসলামী ছাত্র আন্দোলন -এর নিন্দা ও প্রতিবাদ
বাকেরগঞ্জের নিয়ামতি ইউপি চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবীরের ওপর হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ। কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ অবিলম্বে হামলাকারীদের গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছেন।
বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার নিয়ামতি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এবং ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশের সাবেক কেন্দ্রীয় দফতর সম্পাদক মুহাম্মাদ হুমায়ুন কবীরের ওপর হামলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে সংগঠনটির কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ। পীর সাহেব চরমোনাই মনোনীত হাতপাখা প্রতীকের এই জনপ্রতিনিধির ওপর সোমবার (৯ মার্চ) দুপুরে একদল সন্ত্রাসী নৃশংস হামলা চালায় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
সোমবার সন্ধ্যায় গণমাধ্যমে প্রেরিত এক যৌথ বিবৃতিতে সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি মুনতাছির আহমাদ ও সেক্রেটারি জেনারেল সুলতান মাহমুদ বলেন, "একজন নির্বাচিত জনপ্রতিনিধির ওপর পরিকল্পিত হামলা অত্যন্ত নিন্দনীয় এবং গণতান্ত্রিক রাজনীতির জন্য মারাত্মক হুমকি। রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে দমাতে সহিংসতার আশ্রয় নেওয়া কাপুরুষোচিত আচরণ, যা সভ্য রাজনৈতিক সংস্কৃতির পরিপন্থী।" নেতৃদ্বয় অবিলম্বে হামলাকারীদের শনাক্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানান।
এদিকে, হামলার ঘটনায় পৃথক বিবৃতিতে গভীর উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ বাকেরগঞ্জ উপজেলা পশ্চিম শাখা। উপজেলা সভাপতি জাহিদুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক এম. এম. ইদ্রিস আলম জানান, আজ দুপুরে বিএনপির ইউনিয়ন সাধারণ সম্পাদক সোহেল সিকদার, ছাত্রদলের ইউনিয়ন সাধারণ সম্পাদক রাকিব মোসাব্বিরসহ একদল চিহ্নিত সন্ত্রাসী এই হামলা চালায়।
বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, "জনসম্পৃক্ততার কারণে হাতপাখা প্রতীক নিয়ে নির্বাচিত এই চেয়ারম্যান কোনো দেহরক্ষী ছাড়াই সাধারণ চলাফেরা করেন। এই সরলতাকে সুযোগ হিসেবে নিয়ে তার ওপর হামলা চালানো হয়েছে। আমরা স্পষ্ট বলতে চাই, এ ধরনের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে ইসলামী আন্দোলনের নেতাকর্মীদের দমিয়ে রাখা যাবে না। ভবিষ্যতে এমন হামলার চেষ্টা হলে সচেতন ছাত্রসমাজ ও জনগণ ঐক্যবদ্ধভাবে তা প্রতিরোধ করবে।"
উপজেলা শাখা থেকে স্থানীয় প্রশাসনের প্রতি অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়েছে। একই সাথে বিএনপি নেতৃত্বকে নিজ দলীয় কর্মীদের সন্ত্রাসীদের লাগাম টেনে ধরার অনুরোধ জানিয়ে বলা হয়, অন্যথায় উদ্ভূত পরিস্থিতির দায়ভার সংশ্লিষ্ট দলকেই বহন করতে হবে।


