দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধের প্রস্তুতি ইরানের: আইআরজিসি-র হাতে আসছে নতুন অ-স্ত্র
ইরান-ইসরায়েল সংঘাতের আবহে দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধের ঘোষণা দিল আইআরজিসি। ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আলী মোহাম্মদ নাইনি জানিয়েছেন, শত্রুপক্ষকে যন্ত্রণাদায়ক প্রত্যাঘাত করতে নতুন ও শক্তিশালী অস্ত্র মজুত রেখেছে ইরান।
মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধের ঘোষণা দিয়েছে ইরানের অভিজাত সামরিক শাখা ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। বাহিনীটির মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আলী মোহাম্মদ নাইনি জানিয়েছেন, ইরান যেকোনো দীর্ঘমেয়াদি সংঘাতের জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত এবং এজন্য বিশেষ কিছু নতুন অস্ত্র আলাদা করে রাখা হয়েছে।
শত্রুদের জন্য ‘যন্ত্রণাদায়ক’ বার্তা:
বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল নাইনি বলেন, “ইরান দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত। এজন্য আমরা এমন কিছু নতুন অস্ত্র আলাদা করে তুলে রেখেছি যা এখনও বড় মাত্রায় ব্যবহার করা হয়নি। এই অস্ত্রগুলো শত্রুদের ওপর গুরুতর এবং যন্ত্রণাদায়ক প্রত্যাঘাত হানবে। বর্তমানে সেগুলো পাইপলাইনে আছে এবং যথাসময়ে ব্যবহার করা হবে।”
খাইবার ক্ষেপণাস্ত্রের ব্যবহার ও বর্তমান পরিস্থিতি:
বিবৃতিটি এমন এক সময়ে এলো যখন গত বৃহস্পতিবার প্রথমবারের মতো ইসরায়েলকে লক্ষ্য করে নিজেদের শক্তিশালী ক্লাস্টার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ‘খাইবার’ নিক্ষেপ করেছে ইরান। গত ৭ দিন ধরে চলা এই সংঘাতে ইসরায়েল ও মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন সেনাঘাঁটিগুলোতে দফায় দফায় ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালাচ্ছে তেহরান।
অস্ত্রভাণ্ডারের সক্ষমতা বৃদ্ধি:
২০২৫ সালের জুন মাসে ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে ১২ দিনব্যাপী যে সংঘাত হয়েছিল, তার তুলনায় এবারের যুদ্ধে ইরানের অস্ত্রভাণ্ডার অনেক বেশি সমৃদ্ধ ও আধুনিক বলে দাবি করেছেন জেনারেল নাইনি। তিনি স্পষ্ট করেছেন যে, আগের সংঘাতের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে এবার আরও শক্তিশালী প্রতিরক্ষা ও আক্রমণ কৌশল গ্রহণ করেছে ইরান।
সূত্র: আলজাজিরা।


