ঈদের আগে এখন পর্যন্ত ৩০-৩৫ শতাংশ কারখানা শ্রমিকের বেতন এবং অর্ধেকের বেশি কারখানা বোনাস না দেয়া উদ্বেগজনক: অধ্যক্ষ হাফেজ মাওলানা ইউনুছ আহমাদ

ঈদের ৫ দিন আগেও অনেক কারখানায় বেতন-বোনাস না হওয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব অধ্যক্ষ হাফেজ মাওলানা ইউনুছ আহমাদ। অবিলম্বে পাওনা পরিশোধের দাবি তাঁর।

Mar 16, 2026 - 22:22
 0  10
ঈদের আগে এখন পর্যন্ত ৩০-৩৫ শতাংশ কারখানা শ্রমিকের বেতন এবং অর্ধেকের বেশি কারখানা বোনাস না দেয়া উদ্বেগজনক: অধ্যক্ষ হাফেজ মাওলানা ইউনুছ আহমাদ
×

পবিত্র ঈদুল ফিতরের আনন্দ যখন দুয়ারে কড়া নাড়ছে, ঠিক সেই মুহূর্তেও দেশের ৩০ থেকে ৩৫ শতাংশ কারখানা শ্রমিকের বেতন এবং অর্ধেকের বেশি কারখানায় বোনাস পরিশোধ না হওয়ায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব অধ্যক্ষ হাফেজ মাওলানা ইউনুছ আহমাদ। সোমবার (১৬ মার্চ, ২০২৬) এক বিবৃতিতে তিনি অবিলম্বে শ্রমিকের পাওনা বুঝিয়ে দেওয়ার জোর দাবি জানান।

উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা:

বিবৃতিতে মাওলানা ইউনুছ আহমাদ বলেন, “ঈদুল ফিতর বাঙালি মুসলমানের প্রধান উৎসব। পরিবারের সদস্যদের নানা চাওয়া থাকে কর্মক্ষম ব্যক্তিদের কাছে। কিন্তু ঈদের মাত্র কয়েক দিন বাকি থাকলেও বিপুল সংখ্যক শ্রমিকের বেতন-বোনাস বাকি থাকা অত্যন্ত দুঃখজনক। এতে শ্রমিকদের মধ্যে উৎকণ্ঠা দেখা দিচ্ছে এবং তাঁদের পরিবারের ছোট শিশুরা মানসিকভাবে কষ্ট পাচ্ছে।”

অবিলম্বে পরিশোধের দাবি:

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের পক্ষ থেকে দাবি জানানো হয়েছে যে, আজ এবং কালকের মধ্যে অবশ্যই সকল শ্রমিকের বকেয়া বেতন ও বোনাস পরিশোধ করতে হবে। মাসের ১৬ তারিখ হয়ে গেলেও কেন বেতন বাকি রাখা হলো এবং ঈদের এত কাছে এসেও কেন বোনাস দেওয়া হলো না, তার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জবাবদিহির আওতায় আনার দাবি জানান তিনি।

সরকারের উদাসীনতা ও প্রত্যাশা:

মহাসচিব সরকারের দায়িত্ব স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলেন, “এই ক্ষেত্রে সরকারের নজরদারির চরম অভাব রয়েছে। কারখানা মালিকদের রাজনৈতিক সম্পৃক্ততার কারণে সরকার অধিকাংশ সময় উদাসীন থাকে, ফলে প্রতি বছর ঈদ এলেই শ্রমিকদের পাওনা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়। অনেক সময় এটি সহিংস আন্দোলনের রূপ নেয়।” তিনি নতুন সরকারের কাছে প্রত্যাশা ব্যক্ত করে বলেন, অন্তত এবার যেন দ্রুততার সাথে বকেয়া বেতন ও বোনাস আদায়ের ব্যবস্থা নেওয়া হয়।