ঘুমধুম সীমান্তে স্থলমাইন বিস্ফোরণে ৩ বাংলাদেশির মৃত্যুতে মাওলানা আহমদ আবদুল কাইয়ূমের গভীর উদ্বেগ ও তীব্র নিন্দা

বান্দরবানের ঘুমধুম সীমান্তে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর পুঁতে রাখা স্থলমাইন বিস্ফোরণে ৩ জন বাংলাদেশি চাকমা শ্রমিকের মর্মান্তিক প্রাণহানিতে গভীর উদ্বেগ ও নিন্দা জানিয়েছেন মাওলানা আহমদ আবদুল কাইয়ূম।

May 25, 2026 - 23:10
 0  5
ঘুমধুম সীমান্তে স্থলমাইন বিস্ফোরণে ৩ বাংলাদেশির মৃত্যুতে মাওলানা আহমদ আবদুল কাইয়ূমের গভীর উদ্বেগ ও তীব্র নিন্দা
×

বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুমধুম সীমান্ত এলাকায় মিয়ানমার জান্তা বাহিনীর পুঁতে রাখা নিষিদ্ধ স্থলমাইন বিস্ফোরণে ৩ জন নিরীহ বাংলাদেশি নাগরিকের মর্মান্তিক প্রাণহানির ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এবং এর তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সহকারী মহাসচিব ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাওলানা আহমদ আবদুল কাইয়ূম। তিনি সীমান্তে এই ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ও বর্বরোচিত মৃত্যু রোধে সরকারকে দ্রুত কার্যকর ও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার জোর আহ্বান জানান।

​সোমবার (২৫ মে) গণমাধ্যমে প্রেরিত এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে দলের সহকারী মহাসচিব এই তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দা প্রকাশ করেন।

সীমান্তে হত্যাকাণ্ড পরিকল্পিত ও উদ্বেগের:

বিবৃতিতে মাওলানা আহমদ আবদুল কাইয়ূম বলেন, "বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ির মিয়ানমার সীমান্ত এলাকায় স্থলমাইন বিস্ফোরণে ৩ জন বাংলাদেশি নাগরিকের প্রাণহানির এই পৈশাচিক ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক এবং এটি এক ধরনের পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। একদিকে প্রতিবেশী রাষ্ট্র ভারত আমাদের সীমান্তে বিভিন্ন অজুহাতে পাখির মতো গুলি করে ও নির্যাতন চালিয়ে প্রতিনিয়ত বাংলাদেশি নাগরিকদের নির্বিচারে হত্যা করছে, অন্যদিকে মিয়ানমার সীমান্ত দিয়েও আমাদের দেশের সাধারণ মানুষের জীবন আজ চরম ঝুঁকির মুখে পড়েছে।"

হতভাগ্য ৩ জনই চাকমা শ্রমিক:

তিনি উল্লেখ করেন, ঘুমধুম সীমান্তে স্থলমাইন বিস্ফোরণে নিহত ৩ জন নাগরিকই মূলত দিনমজুর হিসেবে কাজ করা স্থানীয় নৃগোষ্ঠীর দরিদ্র চাকমা শ্রমিক। জীবিকার তাগিদে সীমান্ত এলাকায় কাজ করতে গিয়ে তারা এমন বর্বরোচিত ও অমানবিক আগ্রাসনের শিকার হয়েছেন।

​মাওলানা আহমদ আবদুল কাইয়ূম স্বদেশের সীমানার অভ্যন্তরে ও সীমান্তে নাগরিকদের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং এই ধরনের আন্তর্জাতিক অপরাধের বিরুদ্ধে বিশ্বমঞ্চে কড়া প্রতিবাদসহ সীমান্ত সুরক্ষায় বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে অবিলম্বে দৃশ্যমান ও কঠোর কূটনৈতিক পদক্ষেপ নেওয়ার তাগিদ দেন।