জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে ইসলামী আন্দোলনের অবদানকে স্বীকৃতি দিতে হবে: আহমদ আবদুল কাইয়ূম
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের অবদান ও রাজপথের লড়াইয়ের ঐতিহাসিক স্বীকৃতি দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন দলটির ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি মাওলানা আহমদ আবদুল কাইয়ূম।
বৈষম্যবিরোধী জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের রাজপথের বীরত্বপূর্ণ লড়াই ও অসামান্য অবদানকে রাষ্ট্রীয়ভাবে স্বীকৃতি দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন দলটির ঢাকা মহানগর দক্ষিণ শাখার সভাপতি মাওলানা আহমদ আবদুল কাইয়ূম। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, জুলাই বিপ্লবের ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক আত্মত্যাগকে অবজ্ঞা করে কিংবা কোনো বিশেষ পক্ষকে বাদ দিয়ে ক্ষমতায় টিকে থাকার চেষ্টা সফল হবে না।
আজ বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই ২০২৬) বিকেলে রাজধানীর পুরানা পল্টনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ঢাকা মহানগর দক্ষিণের কার্যালয়ে আয়োজিত এক জরুরি যৌথ সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
শাহবাগে ১৪৪ ধারা ভেঙে জনতার স্রোত:
মাওলানা আহমদ আবদুল কাইয়ূম জুলাই বিপ্লবের দিনগুলোর স্মৃতিচারণ করে বলেন, “জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ সরাসরি দলীয় ব্যানার নিয়ে ময়দানে নেমেছিল। দলের শীর্ষনেতা মুফতি সৈয়দ ফয়জুল করীম শায়খে চরমোনাই’র নেতৃত্বে রাজপথে এক বিশাল গণমিছিল নিয়ে তৎকালীন স্বৈরাচারী সরকারের জারি করা ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে শাহবাগে আন্দোলনরত সাধারণ ছাত্রদের সাথে একাত্মতা ঘোষণা করে দল। সেই বিশাল জনতার স্রোতই মূলত জুলাই আন্দোলনের গতি ও শক্তি সঞ্চারে প্রধান নিয়ামক হিসেবে কাজ করেছিল।”
তিনি আরও বলেন, “গত ১৮ জুলাই দলের আমীর পীর সাহেব চরমোনাই বায়তুল মোকাররমের মহাসমাবেশ থেকে হুঙ্কার দিয়ে বলেছিলেন—‘এই নরপিশাচ, তুই আমার সন্তানের গায়ে গুলি করলি কেন?’ তাঁর এই বজ্রকণ্ঠের হুঙ্কারেই ফ্যাসিবাদের তখতে তাউসে মূলত পতনের আগুন ধরে যায়, যা শেষ পর্যন্ত ছাত্র-জনতার চূড়ান্ত বিজয়ে রূপ নেয়।”
নতুন সংবিধান ও গণভোটের দাবি:
সংবিধান সংস্কার প্রসঙ্গে ইসলামী আন্দোলনের এই শীর্ষ নেতা বলেন, “বিদ্যমান সংবিধানের গতানুগতিক সংশোধন বা তালি জোড়াতালি দিয়ে কোনো লাভ হবে না। জুলাই গণ-অভ্যুত্থান ও গণভোটের মাধ্যমে বাংলাদেশের মানুষ একটি মৌলিক সংবিধান রচনার পক্ষে রায় দিয়েছে। এই ঐতিহাসিক জনরায় উপেক্ষা করে সরকার যদি ভিন্ন কোনো পথে হাঁটতে চায়, তবে তা হবে অত্যন্ত অদূরদর্শী সিদ্ধান্ত; যার রাজনৈতিক পরিণতি কারও জন্যই সুখকর হবে না।”
তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, জুলাই সনদে যেহেতু সকল রাজনৈতিক দল স্বাক্ষর করেছে, সেহেতু বিএনপিকে এই সনদ বাস্তবায়নে সবার আগে দায়িত্বশীল ও কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে। এর বাইরে বিকল্প কোনো পথ খোলা নেই।
নতুন করে ‘জঙ্গি নাটক’ বন্ধের হুঁশিয়ারি:
দেশের বর্তমান আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে মাওলানা আহমদ আবদুল কাইয়ূম বলেন, “বিএনপি ক্ষমতার কাছাকাছি আসার পর থেকে দেশে পুনরায় নতুন করে ‘জঙ্গি নাটক’ শুরু হয়েছে। ভারতের প্রেসক্রিপশনে সাজানো এই তথাকথিত জঙ্গি নাটকের মাধ্যমে ইসলামপন্থীদের ঘায়েল করার যে অপরিণামদর্শী খেলা শুরু হয়েছে, তা অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে। অন্যথায় তৌহিদী জনতার প্রতিবাদের আগুন রাজপথে ছড়িয়ে পড়লে ষড়যন্ত্রকারীরা জ্বলে-পুড়ে ছারখার হয়ে যাবে।”
সভার অন্যান্য সিদ্ধান্ত ও নেতৃবৃন্দের উপস্থিতি:
দলের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সেক্রেটারী মো. আব্দুল আউয়াল মজুমদারের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত এই যৌথ সভায় আগামী ২৪ জুলাই নগর শুরা অধিবেশন এবং ২৫ জুলাই নগর সম্মেলন সফল করার লক্ষ্যে সর্বাত্মক প্রস্তুতি গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়।
সভায় আরও বক্তব্য রাখেন—সহ-সভাপতি আলহাজ্ব আলতাফ হোসেন ও আলহাজ্ব আনোয়ার হোসেন, মাওলানা কে এম শরীয়াতুল্লাহ, প্রভাষক শফিকুল ইসলাম, নজরুল ইসলাম খোকন, মাওলানা নজরুল ইসলাম, অধ্যাপক ফজলুল হক মৃধা, শেখ আবু তাহের, আব্দুর রহমান, গোলামুর রহমান আজম, নাজিমুদ্দিন গাজী এবং হাফেজ সালাহউদ্দিবৈষম্যবিরোধী জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের রাজপথের বীরত্বপূর্ণ লড়াই ও অসামান্য অবদানকে রাষ্ট্রীয়ভাবে স্বীকৃতি দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন দলটির ঢাকা মহানগর দক্ষিণ শাখার সভাপতি মাওলানা আহমদ আবদুল কাইয়ূম। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, জুলাই বিপ্লবের ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক আত্মত্যাগকে অবজ্ঞা করে কিংবা কোনো বিশেষ পক্ষকে বাদ দিয়ে ক্ষমতায় টিকে থাকার চেষ্টা সফল হবে না।
আজ বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই ২০২৬) বিকেলে রাজধানীর পুরানা পল্টনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ঢাকা মহানগর দক্ষিণের কার্যালয়ে আয়োজিত এক জরুরি যৌথ সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
শাহবাগে ১৪৪ ধারা ভেঙে জনতার স্রোত:
মাওলানা আহমদ আবদুল কাইয়ূম জুলাই বিপ্লবের দিনগুলোর স্মৃতিচারণ করে বলেন, “জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ সরাসরি দলীয় ব্যানার নিয়ে ময়দানে নেমেছিল। দলের শীর্ষনেতা মুফতি সৈয়দ ফয়জুল করীম শায়খে চরমোনাই’র নেতৃত্বে রাজপথে এক বিশাল গণমিছিল নিয়ে তৎকালীন স্বৈরাচারী সরকারের জারি করা ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে শাহবাগে আন্দোলনরত সাধারণ ছাত্রদের সাথে একাত্মতা ঘোষণা করে দল। সেই বিশাল জনতার স্রোতই মূলত জুলাই আন্দোলনের গতি ও শক্তি সঞ্চারে প্রধান নিয়ামক হিসেবে কাজ করেছিল।”
তিনি আরও বলেন, “গত ১৮ জুলাই দলের আমীর পীর সাহেব চরমোনাই বায়তুল মোকাররমের মহাসমাবেশ থেকে হুঙ্কার দিয়ে বলেছিলেন—‘এই নরপিশাচ, তুই আমার সন্তানের গায়ে গুলি করলি কেন?’ তাঁর এই বজ্রকণ্ঠের হুঙ্কারেই ফ্যাসিবাদের তখতে তাউসে মূলত পতনের আগুন ধরে যায়, যা শেষ পর্যন্ত ছাত্র-জনতার চূড়ান্ত বিজয়ে রূপ নেয়।”
নতুন সংবিধান ও গণভোটের দাবি:
সংবিধান সংস্কার প্রসঙ্গে ইসলামী আন্দোলনের এই শীর্ষ নেতা বলেন, “বিদ্যমান সংবিধানের গতানুগতিক সংশোধন বা তালি জোড়াতালি দিয়ে কোনো লাভ হবে না। জুলাই গণ-অভ্যুত্থান ও গণভোটের মাধ্যমে বাংলাদেশের মানুষ একটি মৌলিক সংবিধান রচনার পক্ষে রায় দিয়েছে। এই ঐতিহাসিক জনরায় উপেক্ষা করে সরকার যদি ভিন্ন কোনো পথে হাঁটতে চায়, তবে তা হবে অত্যন্ত অদূরদর্শী সিদ্ধান্ত; যার রাজনৈতিক পরিণতি কারও জন্যই সুখকর হবে না।”
তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, জুলাই সনদে যেহেতু সকল রাজনৈতিক দল স্বাক্ষর করেছে, সেহেতু বিএনপিকে এই সনদ বাস্তবায়নে সবার আগে দায়িত্বশীল ও কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে। এর বাইরে বিকল্প কোনো পথ খোলা নেই।
নতুন করে ‘জঙ্গি নাটক’ বন্ধের হুঁশিয়ারি:
দেশের বর্তমান আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে মাওলানা আহমদ আবদুল কাইয়ূম বলেন, “বিএনপি ক্ষমতার কাছাকাছি আসার পর থেকে দেশে পুনরায় নতুন করে ‘জঙ্গি নাটক’ শুরু হয়েছে। ভারতের প্রেসক্রিপশনে সাজানো এই তথাকথিত জঙ্গি নাটকের মাধ্যমে ইসলামপন্থীদের ঘায়েল করার যে অপরিণামদর্শী খেলা শুরু হয়েছে, তা অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে। অন্যথায় তৌহিদী জনতার প্রতিবাদের আগুন রাজপথে ছড়িয়ে পড়লে ষড়যন্ত্রকারীরা জ্বলে-পুড়ে ছারখার হয়ে যাবে।”
সভার অন্যান্য সিদ্ধান্ত ও নেতৃবৃন্দের উপস্থিতি:
দলের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সেক্রেটারী মো. আব্দুল আউয়াল মজুমদারের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত এই যৌথ সভায় আগামী ২৪ জুলাই নগর শুরা অধিবেশন এবং ২৫ জুলাই নগর সম্মেলন সফল করার লক্ষ্যে সর্বাত্মক প্রস্তুতি গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়।
সভায় আরও বক্তব্য রাখেন—সহ-সভাপতি আলহাজ্ব আলতাফ হোসেন ও আলহাজ্ব আনোয়ার হোসেন, মাওলানা কে এম শরীয়াতুল্লাহ, প্রভাষক শফিকুল ইসলাম, নজরুল ইসলাম খোকন, মাওলানা নজরুল ইসলাম, অধ্যাপক ফজলুল হক মৃধা, শেখ আবু তাহের, আব্দুর রহমান, গোলামুর রহমান আজম, নাজিমুদ্দিন গাজী এবং হাফেজ সালাহউদ্দিন প্রমুখ।ন প্রমুখ।


