সংবিধান নতুন করে লেখা নয়, সংশোধন হবে: চিফ হুইপ

সংবিধান নতুন করে না লিখে প্রয়োজনীয় সংশোধন করা হবে এবং সবার মতামত নিয়ে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করা হবে বলে জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের প্রধান হুইপ নুরুল ইসলাম মণি।

Aug 13, 2026 - 15:42
 0  2
সংবিধান নতুন করে লেখা নয়, সংশোধন হবে: চিফ হুইপ
×

সংবিধান নতুন করে প্রণয়ন বা লেখা হবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন জাতীয় সংসদের সরকারি দলের প্রধান হুইপ নুরুল ইসলাম মণি। তিনি বলেছেন, "সংবিধানের একটি অক্ষর পরিবর্তন করা হলেও তা আইনগত ও পারিভাষিক দিক থেকে সংশোধন হিসেবেই গণ্য করা হবে।"

​বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের পক্ষে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের (সিইসি) কাছে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

​প্রধান হুইপ নুরুল ইসলাম মণি বলেন, "দল ও আমাদের জোটের পক্ষ থেকে রাষ্ট্রপতি পদে মনোনয়ন জমা দেওয়া হয়েছে। আমরা আশাবাদী, ভোটাভুটিতে আমাদের প্রার্থী বিপুল ভোটে জয়যুক্ত হবেন। আমরা সংবিধানের দাড়ি-কমা রক্ষা করেই তা বাস্তবায়ন করব; নতুন করে নতুন কিছু লেখা হবে না, যা করার সংশোধন প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই করা হবে।"

​সংবিধান সংস্কার প্রক্রিয়ার রূপরেখা নিয়ে তিনি আরও বলেন, "এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে বসতে হবে। সবার সর্বসম্মত মতামত নিয়েই সংবিধানের প্রয়োজনীয় সংশোধন এবং বহুল আলোচিত 'জুলাই সনদ' পুরোপুরি বাস্তবায়ন করা হবে।"

​সচিবালয়ে এই সংক্রান্ত কোনো বৈঠক হয়েছে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি স্পষ্ট করেন, "সচিবালয়ে এই নিয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো মিটিং হয়নি। তবে আলোচনার জন্য বসার সিদ্ধান্ত আগে থেকেই ছিল। সেই ধারাবাহিকতায় প্রধানমন্ত্রীর আহ্বানে একটি অনানুষ্ঠানিক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।"

​এদিকে নির্বাচন ভবনে উপস্থিত বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় সাংবাদিকদের বলেন, "এটিকে কোনো নিয়ম রক্ষার নির্বাচন বলার সুযোগ নেই। বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো নিজেদের অবস্থান থেকে অনেক কথা বলতেই পারে, তবে এই রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় তারা অংশ নেওয়ায় তাদের ধন্যবাদ জানাই।"

​তারেক রহমানের সঙ্গে আলোচনার বিষয়টি উল্লেখ করে গয়েশ্বর চন্দ্র রায় আরও বলেন, "প্রধানমন্ত্রী আমাদের ডেকে তাঁর সিদ্ধান্ত জানিয়েছেন। রাষ্ট্রপতি নির্বাচন ও সংবিধান সংস্কারের মতো বিষয়গুলোকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সার্বিক আলোচনা ও উন্মুক্ত মতামত বিনিময়ের পথ খোলা রয়েছে।"