জুলাই সনদ সামনে রেখে সংবিধান পর্যালোচনা করবে সংসদীয় বিশেষ কমিটি

৫ আগস্ট জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস ঘিরে রাজধানী ঢাকায় নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা জোরদার করেছে ডিএমপি। নাশকতার আশঙ্কা এড়াতে চেকপোস্ট, সোয়াট, ডগ-স্কোয়াড, ড্রোন ও গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।

Aug 4, 2026 - 20:15
 0  4
জুলাই সনদ সামনে রেখে সংবিধান পর্যালোচনা করবে সংসদীয় বিশেষ কমিটি
×

আগামীকাল ৫ আগস্ট ঐতিহাসিক ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’ উপলক্ষ্যে রাজধানী ঢাকার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং নগরবাসীর নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে নিশ্ছিদ্র ও কঠোর নিরাপত্তা বলয় গড়ে তুলেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)।

​দিবসটিকে ঘিরে যেকোনো ধরনের নাশকতা, অপ্রীতিকর পরিস্থিতি বা জননিরাপত্তা বিঘ্নিত করার চক্রান্ত নস্যাৎ করতে পুলিশ, র্যা ব, সিআইডিসহ একাধিক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর যৌথ সমন্বয়ে এই বিশেষ নিরাপত্তা পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।

​নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পর্কে ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশনস বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি) নিয়াজ মেহেদী জানান, ৫ আগস্টকে কেন্দ্র করে মহানগরীর স্পর্শকাতর স্থান ও সমস্ত প্রবেশপথে পিকেট ও তল্লাশি চেকপোস্টের সংখ্যা বহুগুণ বৃদ্ধি করা হয়েছে। পাশাপাশি অতিরিক্ত ফোর্স মোতায়েন করা হয়েছে যেন সার্বিক পরিবেশ সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে থাকে।

বিশেষ নজরদারি ও আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার

​প্রবেশপথ ও গুরুত্বপূর্ণ ভেন্যু: রাজধানীর সমস্ত এন্ট্রি পয়েন্টগুলোতে কড়া পুলিশি তল্লাশি চালানো হচ্ছে। গুরুত্বপূর্ণ ভেন্যুগুলোতে সাদা পোশাকে দায়িত্ব পালন করছে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) এবং কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্র্যান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিট।

​ড্রোন ও সিসিটিভি নজরদারি: সব ধরনের জনসমাবেশস্থল এবং ‘জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ’ এলাকাকে বিশেষ নিরাপত্তা কাঠামোর আওতায় এনে সার্বক্ষণিক সিসিটিভি ক্যামেরা ও ড্রোনের মাধ্যমে ওপর থেকে নজরদারি করা হচ্ছে।

​সোয়াট ও বোম্ব ডিসপোজাল স্কোয়াড: সাধারণ মানুষের সমাগম বেশি হওয়া স্থানে সোয়াট (SWAT), বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট এবং ডগ-স্কোয়াডের মাধ্যমে বিশেষ সুইপিং চালানো হচ্ছে।

​ডিএমপি সূত্রে আরও জানা যায়, জরুরি যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিশেষ কুইক রেসপন্স টিম (QRT) ২৪ ঘণ্টা প্রস্তুত রাখা হয়েছে। পাশাপাশি সাদা পোশাকে সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে বিশেষ গোয়েন্দা সংস্থা সিটিএসবি ও আইএডি।

​সব ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তারা সরাসরি মাঠে উপস্থিত থেকে নিরাপত্তার দায়িত্ব তদারকি করবেন বলে জানিয়েছে পুলিশ প্রশাসন।