ঝিনাইদহে ইটভাটায় মিলল ৮০০ লিটার ডিজেল, ফিলিং স্টেশনকে জরিমানা
ঝিনাইদহের শৈলকূপায় একটি ইটভাটায় ৮০০ লিটার ডিজেল মজুতের ঘটনায় জেভি ফিলিং স্টেশনকে জরিমানা ও ইটভাটা মালিককে সতর্ক করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
সারাদেশে জ্বালানি তেলের কৃত্রিম সংকট ও মজুতদারদের বিরুদ্ধে সরকারের কঠোর অবস্থানের মধ্যেই ঝিনাইদহের শৈলকূপায় একটি ইটভাটায় ৮০০ লিটার ডিজেল মজুতের প্রমাণ পেয়েছে প্রশাসন। নিয়ম বহির্ভূতভাবে একবারে বিপুল পরিমাণ তেল বিক্রি করার অপরাধে সংশ্লিষ্ট ফিলিং স্টেশনকে আর্থিক জরিমানা করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ ২০২৬) রাত ১০টার পর গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শৈলকূপা উপজেলা প্রশাসন এই ঝটিকা অভিযান পরিচালনা করে।
অভিযান ও মজুত উদ্ধার
জানা যায়, সোমবার দুপুরে উপজেলার ‘জেভি ফিলিং স্টেশন’ থেকে ‘আশা অ্যান্ড তানিয়া’ নামের একটি ইটভাটা একবারে ৮০০ লিটার ডিজেল ক্রয় করে মজুত করে। খবর পেয়ে শৈলকূপা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট দেবাশীষ অধিকারী ওই ইটভাটায় অভিযান চালান। অভিযানে ড্রামভর্তি ডিজেল ক্রয়ের সত্যতা মেলায় রাতেই জেভি ফিলিং স্টেশনেও হানা দেয় ভ্রাম্যমাণ আদালত।
দণ্ড ও সতর্কতা
জ্বালানি তেল বিক্রির নীতিমালা লঙ্ঘন করে এক ক্রেতার কাছে বিপুল পরিমাণ তেল সরবরাহ করার দায়ে জেভি ফিলিং স্টেশনকে ৫ হাজার টাকা নগদ জরিমানা করা হয়। একই সঙ্গে ‘আশা অ্যান্ড তানিয়া’ ইটভাটার মালিককে ভবিষ্যতে এ ধরনের অবৈধ মজুত থেকে বিরত থাকার জন্য কঠোরভাবে সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে।
প্রশাসনের বক্তব্য
সহকারী কমিশনার (ভূমি) দেবাশীষ অধিকারী জানান, “গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আমরা জানতে পারি যে একটি নির্দিষ্ট ফিলিং স্টেশন থেকে একবারে ৮০০ লিটার ডিজেল সরিয়ে ফেলা হয়েছে। তদন্তে এর সত্যতা পাওয়ায় তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সংকটের এই সময়ে কেউ যেন তেলের অপব্যবহার বা মজুত করতে না পারে, সেজন্য আমাদের নজরদারি অব্যাহত থাকবে।”
উল্লেখ্য, তেলের অবৈধ মজুত রোধে সরকার সম্প্রতি তথ্যদাতার জন্য ১ লাখ টাকা পুরস্কারের ঘোষণা দেওয়ায় মাঠ পর্যায়ে প্রশাসনের এ ধরনের অভিযান আরও জোরদার হয়েছে।


