খেলোয়াড়দের রাজনীতি থেকে দূরে থাকার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

খেলোয়াড় জীবনে কোনো রাজনৈতিক দলের সদস্য না হতে অ্যাথলেটদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান; ১২৯ জন ক্রীড়াবিদকে বিশেষ ভাতার আওতায় আনার কার্যক্রম উদ্বোধন।

Mar 30, 2026 - 15:11
 0  5
খেলোয়াড়দের রাজনীতি থেকে দূরে থাকার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
×

খেলোয়াড় থাকাকালীন সময়ে কোনো ধরনের রাজনৈতিক দলের সদস্য না হতে এবং সক্রিয় রাজনীতি থেকে দূরে থাকতে দেশের ক্রীড়াবিদদের প্রতি বিশেষ আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সোমবার (৩০ মার্চ ২০২৬) সকালে তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ‘শাপলা হলে’ জাতীয় ক্রীড়াবিদদের জন্য বিশেষ ভাতা প্রদান কার্যক্রমের ঐতিহাসিক উদ্বোধনকালে তিনি এই পরামর্শ দেন।

রাজনীতিমুক্ত ক্রীড়াঙ্গনের ডাক

​প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, "খেলোয়াড় জীবনে কোনো রাজনৈতিক দলের সদস্য হওয়া উচিত নয়। ক্রীড়াঙ্গনকে সব ধরনের রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত রাখতে হবে।" তিনি আরও জানান, বর্তমান সরকার ক্রীড়াকে কেবল শখ নয়, বরং একটি সম্মানজনক 'পেশা' হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। এর মাধ্যমে মেধাবী খেলোয়াড়রা আর্থিকভাবে নিশ্চিন্ত থেকে দেশের জন্য গৌরব বয়ে আনতে পারবেন।

ক্রীড়া কার্ড ও নিয়মিত বেতন কাঠামো

​দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো জাতীয় পর্যায়ের ক্রীড়াবিদদের নিয়মিত ভাতার আওতায় আনার কার্যক্রম শুরু হয়েছে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ১২৯ জন ক্রীড়াবিদকে বিশেষ ‘ক্রীড়া কার্ড’ প্রদান করা হয়। এই কার্ডধারীরা এখন থেকে মাসিক বেতনের পাশাপাশি সরকারের পক্ষ থেকে বিশেষ সম্মাননা ও সুযোগ-সুবিধা পাবেন। প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা করেন যে, সরকারের লক্ষ্য পর্যায়ক্রমে ৫০০ জন দক্ষ ক্রীড়াবিদকে এই স্থায়ী বেতন কাঠামোর আওতায় নিয়ে আসা।

​'নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস' ও প্রতিভা অন্বেষণ

​তৃণমূল পর্যায় থেকে প্রতিভাবান খেলোয়াড় খুঁজে বের করতে আগামী ৩০ এপ্রিল থেকে সিলেট বিভাগ থেকে বড় পরিসরে ক্রীড়া প্রতিভা অন্বেষণ কার্যক্রম ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ শুরু হবে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী। এর মাধ্যমে গ্রাম-গঞ্জের আনাচে-কানাচে লুকিয়ে থাকা প্রতিভাদের সঠিক প্রশিক্ষণ ও আন্তর্জাতিক মানের সুযোগ-সুবিধা প্রদান করা হবে।

​উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিভিন্ন ক্রীড়া ফেডারেশনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও জাতীয় দলের তারকা খেলোয়াড়রা উপস্থিত ছিলেন। প্রধানমন্ত্রীর এই উদ্যোগকে দেশের ক্রীড়াঙ্গনের জন্য একটি ‘বিপ্লবী পদক্ষেপ’ হিসেবে দেখছেন ক্রীড়া সংশ্লিষ্টরা।