ইসলামের অন্যতম বিমান পর্দা নিয়ে তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করার এখতিয়ার কারো নেই: আহমদ আব্দুল কাইয়ূম

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নৃত্য ও গানের শিক্ষক নিয়োগের সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবি এবং ধর্মীয় বিধান পর্দা নিয়ে সংসদ সদস্যের অবমাননাকর মন্তব্যের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ঢাকা মহানগর দক্ষিণ।

Jun 16, 2026 - 16:58
 0  5
ইসলামের অন্যতম বিমান পর্দা নিয়ে তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করার এখতিয়ার কারো নেই: আহমদ আব্দুল কাইয়ূম
×

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নৃত্য ও গানের শিক্ষক নিয়োগের সরকারি সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবি জানিয়েছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সহকারী মহাসচিব ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণ সভাপতি মাওলানা আহমদ আবদুল কাইয়ূম। তিনি বলেন, দেশের ৯২ শতাংশ মানুষের চিন্তা-চেতনাকে উপেক্ষা করে বিজাতীয় সংস্কৃতির প্রভাবে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর পরিবর্তে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগের দাবি জানান তিনি। অন্যথায় সারা দেশে প্রতিবাদের আগুন জ্বলে উঠবে বলেও হুশিয়ারি দেন তিনি।

​সোমবার (১৫ জুন) রাতে রাজধানীর পুরানা পল্টনের আইএবি মিলনায়তনে পল্টন থানা ও ওয়ার্ড পর্যায়ের দায়িত্বশীল মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

পর্দা নিয়ে মন্তব্যের তীব্র নিন্দা:

​জাতীয় সংসদে বিএনপির সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরীর নারী ও পর্দার পোশাক নিয়ে করা সাম্প্রতিক মন্তব্যের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান মাওলানা আহমদ আবদুল কাইয়ূম। তিনি বলেন, “ইসলামের অন্যতম বিধান পর্দা নিয়ে তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করার এখতিয়ার কারো নেই। হিজাব, নিকাব ও বোরকা ইসলামের অবিচ্ছেদ্য অংশ এবং বাংলাদেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের ধর্মীয় পরিচয় ও মর্যাদাবোধের প্রতীক।”

​তিনি আরও বলেন, ইসলামি বিধি-বিধান নিয়ে ধারাবাহিক বিদ্রূপাত্মক মন্তব্য ইসলামের বিরুদ্ধে চরম আঘাত। একজন সংসদ সদস্যের মুখ থেকে এ ধরনের অশোভন বক্তব্য অত্যন্ত দুঃখজনক এবং দায়িত্বশীল আচরণের পরিপন্থী। অনতিবিলম্বে মনিরুল হক চৌধুরীকে জাতির কাছে ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

মতবিনিময় সভা ও সাংগঠনিক রদবদল:

​পল্টন থানা সভাপতি আলহাজ্ব কবির হোসেন খোকনের সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন দলের কেন্দ্রীয় শিক্ষা ও সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক মুফতি কেফায়েতুল্লাহ কাশফী এবং ঢাকা মহানগর দক্ষিণের ছাত্র ও যুব বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মনির হোসেন। সভাটি সঞ্চালনা করেন মাওলানা ফয়েজ আহমদ।

​সভায় সাংগঠনিক গতিশীলতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে পল্টন থানায় রদবদল আনা হয়। মাওলানা ফয়েজ আহমদকে পল্টন থানার সেক্রেটারী এবং মাওলানা আমির হোসাইনকে সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব প্রদান করা হয়।

​সভায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন পল্টন থানা বামুক ছদর আলহাজ্ব মমিনুল হোসাইন, মুহাম্মদ মোশাররফ হোসেন, মোহাম্মদ মহারাজ ফরাজি, আকাশ হাওলাদার ও মুহাম্মদ সিফাতুল্লাহ বিন হাবিবসহ তৃণমূল দায়িত্বশীলবৃন্দ।