এলএনজি সরবরাহ হ্রাস, কম থাকবে গ্যাসের চাপ
এলএনজি টার্মিনালের জরুরি রক্ষণাবেক্ষণের কারণে তিতাস গ্যাস এলাকায় গ্যাসের সরবরাহ হ্রাস পেয়েছে। শনিবার মধ্যরাত পর্যন্ত গ্রাহক প্রান্তে গ্যাসের চাপ কম থাকার ঘোষণা।
তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) একটি ভাসমান টার্মিনালের জরুরি কারিগরি রক্ষণাবেক্ষণ কাজের কারণে জাতীয় গ্রিডে গ্যাসের সরবরাহ হঠাৎ কমে গেছে। এর ফলে রাজধানী ঢাকাসহ তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির আওতাধীন একটি বিশাল এলাকার গ্রাহকদের আজ দিনভর ও রাতে তীব্র গ্যাস সংকটের মুখোমুখি হতে হচ্ছে।
আজ শনিবার (১৩ জুন) দুপুরের পর তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষের দেওয়া এক জরুরি অফিসিয়াল নোটিশ ও সতর্কবার্তায় এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
শনিবার মধ্যরাত পর্যন্ত থাকবে তীব্র সংকট:
তিতাসের পক্ষ থেকে দেওয়া জরুরি বার্তায় বলা হয়েছে, এলএনজি সরবরাহের একটি এফএসআরইউ (FSRU)-এর জরুরি কারিগরি রক্ষণাবেক্ষণ কাজের কারণে এলএনজি থেকে দৈনিক প্রাপ্ত গ্যাসের সামগ্রিক সরবরাহ উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস পেয়েছে। এর সরাসরি প্রভাব পড়েছে তিতাসের পাইপলাইন নেটওয়ার্কে।
ফলশ্রুতিতে, আজ শনিবার দিবাগত মধ্যরাত পর্যন্ত তিতাস গ্যাস কোম্পানির অধিভুক্ত এলাকার আবাসিক, বাণিজ্যিক, সিএনজি ও শিল্প কারখানাসহ সব শ্রেণির গ্রাহক প্রান্তে গ্যাসের তীব্র স্বল্পচাপ (লো-প্রেশার) বিরাজ করতে পারে। দুপুরের পর থেকেই রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে রান্নার গ্যাস না থাকা বা কম থাকার বিষয়ে গ্রাহকদের অভিযোগ আসতে শুরু করেছে।
গ্রাহকদের এই অনাকাঙ্ক্ষিত ও সাময়িক তীব্র অসুবিধার জন্য তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করেছে। একই সাথে এলএনজি সরবরাহ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়া মাত্রই পাইপলাইনে গ্যাসের চাপ আবার আগের অবস্থায় ফিরে আসবে বলে আশ্বস্ত করেছে বিতরণ কোম্পানিটি।


