নিউজিল্যান্ডের বৃহত্তম মসজিদ পরিদর্শনে রাবেতা মহাসচিব ড. আল-ঈসা

নিউজিল্যান্ড সরকারের সরকারি আমন্ত্রণে দেশটিতে সফরে থাকা রাবেতা আলমে ইসলামির মহাসচিব শাইখ ড. মুহাম্মদ বিন আবদুল করিম আল-ঈসা অকল্যান্ডের বৃহত্তম জামিয়া মসজিদ আল-মুস্তাফা পরিদর্শন করেছেন।

Jul 20, 2026 - 23:20
 0  4
নিউজিল্যান্ডের বৃহত্তম মসজিদ পরিদর্শনে রাবেতা মহাসচিব ড. আল-ঈসা
×

নিউজিল্যান্ড সরকারের উচ্চপর্যায়ের আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণে রাষ্ট্রীয় সফরে থাকা মুসলিম বিশ্বের প্রভাবশালী আন্তর্জাতিক সংস্থা রাবেতা আলমে ইসলামি বা মুসলিম ওয়ার্ল্ড লীগের (এমডব্লিউএল) মহাসচিব এবং অর্গানাইজেশন অফ মুসলিম স্কলার্সের চেয়ারম্যান শাইখ ড. মুহাম্মদ বিন আবদুল করিম আল-ঈসা নিউজিল্যান্ডের বৃহত্তম মসজিদ ‘জামিয়া মসজিদ আল-মুস্তাফা’ পরিদর্শন করেছেন।

​আজ সোমবার (২০ জুলাই ২০২৬) অকল্যান্ডে অবস্থিত ঐতিহাসিক ও বৃহত্তম এই দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও মসজিদ প্রাঙ্গণে তাঁকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানানো হয়।

কুরআন শিক্ষার্থীদের দিকনির্দেশনা ও সামা নেতাদের সাথে বৈঠক:

মসজিদ পরিদর্শনকালে শাইখ ড. আল-ঈসা এটি পরিচালনাকারী শীর্ষ সামাজিক সংস্থা ‘সাউথ অকল্যান্ড মুসলিম অ্যাসোসিয়েশন’ (সামা)-এর ঊর্ধ্বতন দায়িত্বশীলদের সাথে এক বিশেষ দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে মিলিত হন। পরবর্তীতে তিনি মসজিদে অধ্যয়নরত পবিত্র কুরআনের হিফজ বিভাগের শিক্ষার্থীদের শ্রেণিকক্ষে যান এবং তাদের সার্বিক পড়ালেখা ও শারীরিক খোঁজখবর নেন।

​শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে দেওয়া সংক্ষিপ্ত নসিহতে ড. আল-ঈসা বলেন, “পবিত্র কুরআন হিফজ ও দ্বীনি জ্ঞান অর্জনের পাশাপাশি প্রাত্যহিক জীবনে সুন্দর ও উত্তম চরিত্র গঠন করা প্রতিটি মুসলিম তরুণের প্রধান দায়িত্ব।”

​একই সাথে নিউজিল্যান্ডে অবস্থানরত মূলধারার মুসলিম কমিউনিটির ঐক্য, মানসম্মত দ্বীনি শিক্ষা বিস্তার এবং সামাজিক আন্তঃধর্মীয় সম্প্রীতি জোরদারে মসজিদকেন্দ্রিক বৈচিত্র্যময় কার্যক্রমের ভূয়সী প্রশংসা করেন তিনি।

নিউজিল্যান্ড সফরের মূল লক্ষ্য:

মুসলিম ওয়ার্ল্ড লীগের (MWL) আন্তর্জাতিক দপ্তর জানিয়েছে, নিউজিল্যান্ড সরকারের আমন্ত্রণে ড. আল-ঈসা এই সরকারি সফর পরিচালনা করছেন।

​সফরসূচি অনুযায়ী তিনি নিউজিল্যান্ডের মূলধারার মুসলিম প্রতিনিধি, শীর্ষ সরকারি কর্মকর্তা, জাতীয় পার্লামেন্টের সদস্য (MP) এবং দেশটির বিভিন্ন ধর্মীয় সম্প্রদায়ের নেতাদের সাথে ধারাবাহিকভাবে একাধিক নীতি-নির্ধারণী বৈঠকে অংশ নিচ্ছেন।

​মূলত বৈশ্বিক ধর্মীয় সম্প্রীতি রক্ষা, আন্তর্জাতিক পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি, বহুমাত্রিক সংস্কৃতি ও ধর্মের মানুষের মাঝে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান তৈরি এবং আন্তঃধর্মীয় সংলাপকে (Interfaith Dialogue) নতুন মাত্রায় রূপ দেওয়াই এই সফরের মূল লক্ষ্য।