জুলাই সনদের প্রতিটি দফা বাস্তবায়নে সরকার বদ্ধপরিকর: প্রধানমন্ত্রী
জুলাই সনদের প্রতিটি দফা অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়নে সরকার বদ্ধপরিকর বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বিয়াম ফাউন্ডেশনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে প্রশাসনের কর্মকর্তাদের জনবান্ধব হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
প্রশাসনের সর্বস্তরে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতের মাধ্যমে বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার ঘোষণা
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা অনুযায়ী ‘জুলাই সনদের’ প্রতিটি দফা অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়নে তাঁর সরকার পূর্ণ অঙ্গীকারবদ্ধ। শনিবার (২৫ এপ্রিল) বিয়াম ফাউন্ডেশনের অডিটোরিয়াম ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
গণতন্ত্র ও জনকল্যাণমুখী শাসন
প্রধানমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন, দীর্ঘ দেড় দশক পর দেশের গণতন্ত্রকামী জনগণ ব্যালটের মাধ্যমে বর্তমান সরকারকে নির্বাচিত করেছে। তিনি বলেন, "একটি ন্যায়ভিত্তিক এবং জনকল্যাণমুখী শাসনব্যবস্থার জন্য এ দেশের মানুষের দীর্ঘ প্রতীক্ষার প্রতিফলন হচ্ছে আমাদের এই সরকার।"
জনপ্রশাসনের প্রতি নির্দেশনা
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের শিক্ষা স্মরণ করিয়ে দিয়ে প্রধানমন্ত্রী সরকারি কর্মকর্তাদের উদ্দেশে বলেন, "২০২৪ সালের আন্দোলন আবারও প্রমাণ করেছে যে, এই রাষ্ট্রের প্রকৃত মালিক জনগণ। তাই জনপ্রশাসনের প্রধান দায়িত্ব হলো জনগণের স্বার্থ এবং কল্যাণ নিশ্চিত করা। প্রতিটি রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানকে জনবান্ধব হিসেবে গড়ে তোলার কোনো বিকল্প নেই।"
মেধা ও দক্ষতার মূল্যায়ন
রাষ্ট্রযন্ত্রের নিয়োগ, বদলি ও পদোন্নতির ক্ষেত্রে আমূল পরিবর্তনের আভাস দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এখন থেকে মেধা, দক্ষতা ও অভিজ্ঞতাকেই প্রধান বিবেচ্য বিষয় হিসেবে দেখা হবে। বর্তমান সরকার মেধানির্ভর, আত্মবিশ্বাসী এবং সৃজনশীল মানবসম্পদ গড়ে তুলতে চায়। এ লক্ষ্যে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আধুনিক প্রশিক্ষণ এবং প্রযুক্তির সর্বোত্তম ব্যবহারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, "আমরা এমন এক বাংলাদেশ গড়তে চাই যেখানে কোনো বৈষম্য থাকবে না। আর এই লক্ষ্য অর্জনে প্রশাসনের সর্বস্তরে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা আমাদের অগ্রাধিকার।" বিয়াম ফাউন্ডেশনের আধুনিকায়ন সেই লক্ষ্যেই একটি পদক্ষেপ বলে তিনি উল্লেখ করেন।


