‘সরকার এত ভীত কেন?’: সংসদে বক্তব্য দিতে না পেরে রুমিন ফারহানার প্রশ্ন
জুলাই অভ্যুত্থান নিয়ে সংসদীয় আলোচনায় দুই দিন ধরে বারবার অনুরোধ সত্ত্বেও বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ না পাওয়ার অভিযোগ তুলেছেন ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে জুলাই অভ্যুত্থান নিয়ে চলমান গুরুত্বপূর্ণ আলোচনায় বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ না পাওয়ার অভিযোগ তুলেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা। রোববার (৫ এপ্রিল ২০২৬) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নিজের ভেরিফাইড আইডিতে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি সরকারের মনোভাব নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।
ফেসবুক স্ট্যাটাস ও অভিযোগ
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা তার স্ট্যাটাসে লেখেন, “জুলাই অভ্যুত্থান নিয়ে দুই দিন সংসদে আলোচনা হচ্ছে। বারবার অনুরোধ সত্ত্বেও আমাকে বলার সুযোগ দেওয়া হলো না। সরকার এত ভীত কেন?”
সংসদীয় আলোচনার প্রেক্ষাপট
গত দুই দিন ধরে জাতীয় সংসদে ‘জুলাই জাতীয় সনদ’ ও জুলাই অভ্যুত্থানের বীরত্বগাথা নিয়ে সাধারণ আলোচনা চলছে। অধিবেশনে সরকারি ও বিরোধী দলের অনেক সদস্য অংশ নিলেও স্বতন্ত্র সদস্য হিসেবে রুমিন ফারহানা তার জোরালো বক্তব্য তুলে ধরার জন্য স্পিকারের কাছে বারবার সময় চেয়েছিলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তাকে ফ্লোর না দেওয়ায় তিনি সামাজিক মাধ্যমে এই প্রতিক্রিয়া জানান।
রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া
রুমিন ফারহানার এই স্ট্যাটাসটি মুহূর্তেই ভাইরাল হয় এবং নেটিজেনদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করে। সংসদীয় কার্যপ্রণালী বিধি অনুযায়ী স্বতন্ত্র সদস্যদের বক্তব্য দেওয়ার অধিকার নিয়ে আবারও বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে জুলাই অভ্যুত্থানের মতো একটি স্পর্শকাতর ও জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে একজন পরিচিত নারী সংসদ সদস্যকে কথা বলতে না দেওয়াকে অনেকেই ‘কণ্ঠরোধ’ হিসেবে অভিহিত করছেন।
সংসদ সচিবালয় থেকে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া না গেলেও, অধিবেশন সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন যে সময়ের সীমাবদ্ধতার কারণে অনেক সদস্যকেই বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ দেওয়া সম্ভব হয়নি।


