যুদ্ধের নিয়ন্ত্রণ ইরান সরকারের হাতে নয়, বিপ্লবী গার্ডের কাছে: ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রী
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি জানিয়েছেন, আইআরজিসি এখন ‘স্বাধীনভাবে’ পাল্টা আ-ক্র-ম-ণ চালাচ্ছে। সর্বোচ্চ নেতার মৃ-ত্যু-র পর তারা পূর্ববর্তী নির্দেশনার ভিত্তিতেই কাজ করছে।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ আ-গ্রা-স-নে-র পর মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ইরানের পাল্টা আ-ক্র-ম-ণে-র নেতৃত্বে দিচ্ছে দেশটির সেনাবাহিনীর এলিট ইউনিট ‘ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড’ (আইআরজিসি)। তবে চাঞ্চল্যকর তথ্য হলো, এই অ-ভি-যা-নগুলোর ওপর বর্তমান ইরান সরকারের কোনো সরাসরি নিয়ন্ত্রণ নেই। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি জানিয়েছেন, বিপ্লবী গার্ড এখন সম্পূর্ণ ‘স্বাধীনভাবে’ বা নিজেদের পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ করছে।
সরকারের সংশ্লিষ্টতা নেই:
ওমানে গত রবিবার ইরানের এক হা-ম-লা-য় পাঁচজন নি-হ-ত হওয়ার ঘটনার প্রেক্ষিতে সংবাদমাধ্যম আলজাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আরাগচি এই মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, “ওমানে যা হয়েছে তা আমাদের (সরকারের) সিদ্ধান্ত ছিল না। আমাদের সামরিক ইউনিটগুলো এখন সম্পূর্ণ স্বাধীন এবং একরকম বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। তারা মূলত আগে থেকে দিয়ে রাখা সাধারণ নির্দেশনার ওপর ভিত্তি করেই এখন কাজ করছে।”
সর্বোচ্চ নেতার নির্দেশনা পালন:
বিশ্লেষকরা বলছেন, আইআরজিসি সাধারণত সরাসরি সর্বোচ্চ নেতার (সুপ্রিম লিডার) কাছে জবাবদিহি করে। যেহেতু সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি সম্প্রতি নি-হ-ত হয়েছেন, তাই বিপ্লবী গার্ড এখন তার দিয়ে যাওয়া পূর্ববর্তী রণকৌশল ও নির্দেশনার আলোকেই অ-ভি-যা-ন পরিচালনা করছে। এতে তেহরানের বেসামরিক সরকারের কোনো প্রশাসনিক নির্দেশনা কাজ করছে না।
বিপ্লবী গার্ড বনাম সাধারণ সেনাবাহিনী:
১৯৭৯ সালের বিপ্লবের পর প্রতিষ্ঠিত আইআরজিসি-র মূল দায়িত্ব হলো ‘বিপ্লব রক্ষা’ করা, অন্যদিকে সাধারণ সেনাবাহিনীর কাজ সীমান্ত রক্ষা। বর্তমান পরিস্থিতিতে বিপ্লবী গার্ড মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে মার্কিন ঘাঁটি ও অবকাঠামো লক্ষ্য করে তাদের পাল্টা অ-ভি-যা-ন অব্যাহত রেখেছে।
সূত্র: এএফপি ও আলজাজিরা।


