পরিপূর্ণ ইখলাস ও তাকওয়া অর্জন করলেই দীনের বিজয় সম্ভব: অধ্যক্ষ ইউনুস আহমদ

পরিপূর্ণ ইখলাস, তাকওয়া ও আত্মশুদ্ধির মাধ্যমেই সমাজে দ্বীনের জয় সম্ভব বলে মন্তব্য করেছেন ইসলামী আন্দোলনের প্রেসিডিয়াম সদস্য মাওলানা ইউনুস আহমদ। সভায় ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়নে বিলম্বের প্রতিবাদ জানানো হয়।

Jul 21, 2026 - 18:59
 0  4
পরিপূর্ণ ইখলাস ও তাকওয়া অর্জন করলেই দীনের বিজয় সম্ভব: অধ্যক্ষ ইউনুস আহমদ
×

ইসলাম একটি সর্বাঙ্গীন ও পরিপূর্ণ জীবনব্যবস্থা হওয়া সত্ত্বেও কেবল ইখলাস ও তাকওয়ার অভাবে সমাজ ও রাষ্ট্রে দ্বীনের পূর্ণাঙ্গ প্রতিষ্ঠা সম্ভব হচ্ছে না বলে মন্তব্য করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সাবেক মহাসচিব অধ্যক্ষ হাফেজ মাওলানা ইউনুস আহমদ।

​আজ মঙ্গলবার (২১ জুলাই ২০২৬) রাজধানীর কার্যালয়ে আয়োজিত ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ঢাকা মহানগর দক্ষিণের নিয়মিত মাসিক সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

​‘কেবল আর্থিক ও সাংগঠনিক শক্তি যথেষ্ট নয়’:

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাওলানা ইউনুস আহমদ বলেন, “ইসলামী আন্দোলনকে বিজয়ী করতে হলে কেবল আর্থিক কিংবা সাংগঠনিক শক্তি অর্জনই যথেষ্ট নয়; বরং প্রতিটি কর্মীর অন্তরে পরিপূর্ণ ইখলাস, তাকওয়া এবং খোদাভীতি জাগ্রত করতে হবে। কর্মীদের আত্মশুদ্ধি, আমল, সুউচ্চ নৈতিকতা ও সাংগঠনিক শৃঙ্খলার মাধ্যমেই সমাজে ইসলামের প্রকৃত সৌন্দর্য ফুটিয়ে তুলতে হবে।”

​‘জুলাই সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে চুপ কেন সরকার ?

সভায় সভাপতির বক্তব্যে ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি আহমদ আবদুল কাইয়ূম বলেন, “বিগত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে কয়েকটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের আপত্তির কারণে ঐতিহাসিক ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়নি। বর্তমান সরকার নির্বাচনের পূর্বে ক্ষমতায় এলে এটি বাস্তবায়নের স্পষ্ট আশ্বাস দিলেও এখন সম্পূর্ণ নীরব ভূমিকা পালন করছে।”

​তিনি আরও হুশিয়ারি দিয়ে বলেন, “জনগণের রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে পাওয়া জুলাইয়ের চেতনা ও জুলাই সনদের সাথে রাজনৈতিক বিশ্বাসঘাতকতা করলে তার পরিণতি কখনোই শুভ হবে না। এখনও সময় আছে, জনগণের প্রত্যাশাকে সম্মান জানিয়ে অবিলম্বে জুলাই সনদ বাস্তবায়নে রূপরেখা ঘোষণা করুন।”

উপস্থিত নেতৃবৃন্দ:

ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সেক্রেটারি আলহাজ আবদুল আউয়াল মজুমদারের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত উক্ত নীতি-নির্ধারণী সভায় বক্তব্য রাখেন মহানগর দক্ষিণের সহ-সভাপতি আলহাজ আলতাফ হোসেন, আলহাজ আনোয়ার হোসেন, আলহাজ এম এইচ মোস্তফা, জয়েন্ট সেক্রেটারি আলহাজ আবদুর রাজ্জাক, সাংগঠনিক সম্পাদক কে এম শরীয়াতুল্লাহ, প্রশিক্ষণ সম্পাদক মাওলানা নজরুল ইসলাম, দপ্তর সম্পাদক ফজলুল হক মৃধা, অর্থ সম্পাদক মাওলানা নজরুল ইসলাম খোকন, প্রচার ও দাওয়াহ সম্পাদক প্রভাষক শফিকুল ইসলাম, সমাজকল্যাণ সম্পাদক গোলামুর রহমান আজম, কৃষি ও শ্রমবিষয়ক সম্পাদক মাওলানা কামাল হোসাইন, শিক্ষা ও সংস্কৃতিবিষয়ক সম্পাদক মাওলানা জিয়াউল আশরাফ, সহ-দপ্তর সম্পাদক মাওলানা নাজিমুদ্দিন, শেখ আবু তাহের, কার্যনির্বাহী সদস্য হাফেজ সালাহউদ্দিন ও শিব্বির আহমদ সাব্বিরসহ মহানগরের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ।