বসুন্ধরার বিরুদ্ধে বক্তব্যের পর হাসনাতকে নিয়ে ৪ দিনে ৫ মিডিয়ার ৯৯ কনটেন্ট
দেশের অন্যতম শীর্ষ শিল্পগ্রুপ বসুন্ধরার বিরুদ্ধে বক্তব্য দেওয়ার পর মাত্র ৪ দিনে ৫টি মূলধারার গণমাধ্যমে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা হাসনাত আবদুল্লাহকে নিয়ে ৯৯টি নেতিবাচক কনটেন্ট প্রকাশের অভিযোগ উঠেছে।
দেশের অন্যতম শীর্ষ ব্যবসায়ী ও শিল্পগোষ্ঠী বসুন্ধরা গ্রুপের বিরুদ্ধে প্রকাশ্য বক্তব্য দেওয়ার পর মাত্র ৪ দিনের ব্যবধানে মূলধারার ৫টি প্রভাবশালী গণমাধ্যমে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম প্রধান সমন্বয়ক হাসনাত আবদুল্লাহকে নিয়ে একচেটিয়া ৯৯টি কনটেন্ট বা সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে। গণমাধ্যম বিশ্লেষকরা এই ঘটনাকে সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তু করে ‘শিকারি সাংবাদিকতা’ (Predatory Journalism) বা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রোপাগান্ডা হিসেবে অভিহিত করছেন।
অনুসন্ধানে দেখা গেছে, হাসনাত আবদুল্লাহর একটি বিশেষ বক্তব্যের পর থেকেই নির্দিষ্ট কয়েকটি মিডিয়া হাউজ তাঁর বিরুদ্ধে অতি-সক্রিয় হয়ে ওঠে। গত ৪ দিনে দেশের শীর্ষস্থানীয় ৫টি টেলিভিশন, অনলাইন ও প্রিন্ট মিডিয়া তাদের ফেসবুক পেজ, ইউটিউব চ্যানেল এবং মূল পোর্টালে হাসনাতকে কেন্দ্র করে ধারাবাহিক সংবাদ, ভিডিও এবং ট্রলধর্মী কনটেন্ট প্রচার করেছে— যার মোট সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৯৯টিতে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্যপ্রমাণ ছাড়া একজন তরুণ ছাত্রনেতাকে দমাতে বা তাঁর ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে কর্পোরেট শক্তির প্রভাবে এই ধরনের ‘মিডিয়া ট্রায়াল’ চালানো হচ্ছে। এই ঘটনা স্বাধীন সাংবাদিকতার নীতিমালা ও নৈতিকতার পরিপন্থী এবং জুলাই বিপ্লবের পর গণমাধ্যমের স্বাধীনতার যে প্রত্যাশা তৈরি হয়েছিল, তার ওপর একটি বড় ধাক্কা।


