গোপালগঞ্জে আওয়ামী লীগের চার নেতার পদত্যাগ

গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর ও কাশিয়ানী উপজেলার আওয়ামী লীগের চার নেতা দলীয় পদ থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দিয়ে পৃথক সংবাদ সম্মেলন করেছেন। দলটির সাথে সব সম্পর্ক ছিন্নের ঘোষণা দিয়েছেন তারা।

Jun 19, 2026 - 20:29
 0  4
গোপালগঞ্জে আওয়ামী লীগের চার নেতার পদত্যাগ
×

গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর ও কাশিয়ানী উপজেলা আওয়ামী লীগের চার নেতা দলীয় পদ থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দিয়ে পৃথক সংবাদ সম্মেলন করেছেন। আজ শুক্রবার (১৯ জুন) বিকেলে নিজ নিজ বাসভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তারা আনুষ্ঠানিকভাবে দলীয় দায়িত্ব ও রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়ানোর বিষয়টি সাংবাদিকদের অবহিত করেন।

​পদত্যাগকারী চার নেতা হলেন— কাশিয়ানী উপজেলা আওয়ামী লীগের অর্থ সম্পাদক মো. কাইয়ুম শেখ, মুকসুদপুর উপজেলার বাঁশবাড়ীয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক মো. বাপ্পী মুন্সি, একই ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সদস্য নওশের সরদার এবং উজানী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. শাহানূর শেখ শাহিন।

​সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করে তারা জানান, এর আগেই তারা নিজ নিজ পদ থেকে লিখিত পদত্যাগপত্র সংশ্লিষ্ট উপজেলা ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক বরাবর জমা দিয়েছিলেন।

​কাগজপত্র অনুযায়ী, মো. কাইয়ুম শেখ গত ৫ জুন ২০২৫, মো. বাপ্পী মুন্সি ৪ জানুয়ারি ২০২৬, নওশের সরদার ১১ মার্চ ২০২৬ এবং মো. শাহানূর শেখ শাহিন অতি সম্প্রতি স্ব-শরীরে পদত্যাগপত্র দাখিল করেন।

​লিখিত বক্তব্যে নেতারা বলেন, আজ শুক্রবার (১৯ জুন) সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে তারা সম্পূর্ণ স্বেচ্ছায় ও আনুষ্ঠানিকভাবে আওয়ামী লীগের সঙ্গে তাদের দীর্ঘদিনের সাংগঠনিক সম্পর্কের ইতি টানলেন। ভবিষ্যতেও দলটির কোনো ধরনের সাংগঠনিক বা রাজনৈতিক কার্যক্রমে তাদের কোনো সম্পর্ক বা অংশগ্রহণ থাকবে না বলেও তারা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন।

​তাঁরা আরও বলেন, “দলের ঊর্ধ্বে উঠে দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও সাধারণ জনগণের স্বার্থরক্ষায় আমরা সবসময় অঙ্গীকারবদ্ধ থাকব। আগামী দিনে রাজনৈতিক কিংবা ব্যক্তিগত স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে দেশ ও জাতির কল্যাণে সাধারণ নাগরিক হিসেবে কাজ করে যাব।”

​এদিকে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে চার নেতার একযোগে আনুষ্ঠানিক পদত্যাগের এই ঘোষণা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা ও গুঞ্জন সৃষ্টি হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক মহলে নানা ধরনের প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করা যাচ্ছে। তবে এ বিষয়ে জেলা বা উপজেলা আওয়ামী লীগের দায়িত্বশীল কোনো নেতার পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।